সে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে শেষবারের মতো তার মেয়েকে দেখতে চেয়েছিল…See more

সে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে শেষবারের মতো তার মেয়েকে দেখতে চেয়েছিল…



 সে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার আগে শেষবারের মতো তার মেয়েকে দেখতে চেয়েছিল…




কিন্তু মেয়েটি তার কানে যা ফিসফিস করে বলেছিল, তা তার পুরো ভাগ্য বদলে দিয়েছিল।**




দেয়ালে ঝোলানো ঘড়িতে ঠিক সকাল ৬টা বাজছিল, যখন সেল ব্লক–ডি এর ভারী লোহার দরজাটি কঁকিয়ে খুলে গেল।




পাঁচটা দীর্ঘ বছর…


পাঁচ বছর ধরে মাতেও ভার্গাস চিৎকার করে বলেছে—


“আমি নির্দোষ।”




কিন্তু তার সেই চিৎকার শুধু নির্জীব কংক্রিটের দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে ফিরে এসেছে।




আজ তার শেষ দিন।


আর কয়েক ঘণ্টা পরেই কার্যকর হবে মৃত্যুদণ্ড।




তবু তার শেষ একটি অনুরোধ ছিল।




মাতেও ভাঙা কণ্ঠে বলল—


“আমি আমার মেয়েকে একবার দেখতে চাই…


সবকিছু শেষ হওয়ার আগে আমার ছোট্ট এলেনাকে একবার দেখতে দিন।”




সবচেয়ে কমবয়সী অফিসারটি অস্বস্তিতে মুখ ঘুরিয়ে নিল।


সিনিয়র অফিসার ঠান্ডা গলায় বলল—




“দোষীদের কোনো দাবি থাকে না।”




মাতেও ধীরে বলল—




“ওর বয়স মাত্র আট বছর…


তিন বছর ধরে আমি তাকে কোলে নিইনি।


আমি শুধু এটুকুই চাই।”




এই অনুরোধটি ধাপে ধাপে উপরে উঠতে উঠতে পৌঁছাল ওয়ার্ডেন কর্নেল ভার্গাসের কাছে।




৬২ বছর বয়সী এই কঠোর মানুষটি বহু বন্দিকে তাদের শেষ যাত্রায় যেতে দেখেছেন।




কিন্তু মাতেওর ফাইল তাকে সবসময় অস্বস্তিতে ফেলত।




প্রমাণগুলো ছিল পরিষ্কার—




খু**নের অস্ত্রে মাতেওর আঙুলের ছাপ




র**ক্তে ভেজা কাপড়




এক প্রতিবেশীর সাক্ষ্য—যিনি শপথ করে বলেছিলেন, সেই রাতে মাতেওকে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে দেখেছেন।




তবুও…




কর্নেল ভার্গাস বারবার ভাবতেন—




“এই চোখগুলো কোনো খুনির চোখ নয়।”




তিন দশকের অভিজ্ঞতায় তিনি চোখ দেখে মানুষ পড়তে শিখেছিলেন।




শেষ পর্যন্ত তিনি শান্তভাবে বললেন—




“মেয়েটিকে নিয়ে আসো।”




তিন ঘণ্টা পরে একটি সাদা ভ্যান কারাগারের গেটের সামনে এসে থামল।




একজন কেসওয়ার্কার নামলেন।


তার হাত ধরে ছিল একটি ছোট মেয়ে।




হালকা বাদামি চুল।


কিন্তু চোখ দুটো যেন তার আট বছরের বয়সের চেয়েও অনেক বেশি প্রাপ্তবয়স্ক।




এলেনা ভার্গাস।




সে দীর্ঘ করিডোর দিয়ে হাঁটছিল।




না কোনো কান্না,


না কোনো ভয়।




পাশের সেলগুলো থেকে বন্দিরা তাকিয়ে রইল—


কারণ এই ছোট্ট মেয়েটির মধ্যে যেন এক অদ্ভুত নীরব শক্তি ছিল।




ভিজিটিং রুমে ঢুকে তিন বছর পর প্রথমবার সে তার বাবাকে দেখল।




মাতেও লোহার টেবিলের সাথে শিকল দিয়ে বাঁধা।


কমলা রঙের কারাগারের পোশাক ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।




মেয়েকে দেখামাত্র তার চোখ দিয়ে অঝোরে জল পড়তে লাগল।




“আমার ছোট্ট মেয়ে…”


সে ফিসফিস করে বলল।




“আমার এলেনা…”




এলেনা ধীরে ধীরে এগিয়ে এল।




কোনো দৌড় নয়।


কোনো কান্না নয়।




প্রতিটি পদক্ষেপ যেন আগে থেকেই ঠিক করে রাখা।




মাতেও তার শিকল বাঁধা হাত দুটো বাড়িয়ে দিল।




এলেনা এসে তার বাবাকে জড়িয়ে ধরল।




পুরো এক মিনিট…


ঘরজুড়ে নিঃশব্দ নীরবতা।




কোণায় দাঁড়িয়ে থাকা গার্ডরা তাকিয়ে আছে।


কেসওয়ার্কার ফোন স্ক্রল করছে।




তারপর…




এলেনা তার বাবার কানের কাছে মুখ নিয়ে ধীরে ধীরে কিছু ফিসফিস করে বলল।




কেউ সেই কথাগুলো শুনতে পায়নি।




কিন্তু সবাই দেখল—


এরপর কী হলো।




মুহূর্তের মধ্যে মাতেওর মুখের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে গেল…




---




গল্প: #Folow 




📖 বাংলা অনুবাদ: গল্প ঘর




চলবে…


খুব শীঘ্রই পরবর্তী পর্ব পাবেন।




👉 এমন রহস্যময় গল্প পড়তে


আমাদের পেজটি ফলো করে সাথে থাকুন।




আপনার মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য


অসংখ্য ধন্যবাদ। ✅✅

🎁 Your Special Offer is Loading...

Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.

10s

⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments