সেবা নাকি শয়তানের নীল নকশা?
সেবা নাকি শয়তানের নীল নকশা?
ঘর। একই ছাদ।
শ্বশুর— বাবার মতো।
শ্রদ্ধার পাত্র।
কিন্তু...
শয়তান বড় চতুর!
সে রক্তে মেশে।
সে শিরায় হাঁটে।
পুত্রবধূ হিসেবে—
আপনি তার জন্য রান্না করবেন।
তৃপ্তি ভরে ভাত বেড়ে দেবেন।
অসুস্থ হলে পথ্য দেবেন।
তার ময়লা কাপড়গুলো পরিষ্কার করবেন।
এগুলো আপনার মহত্ত্ব, আপনার সওয়াব।
কিন্তু সাবধান!
যখনই বিষয়টি—
শারীরিক স্পর্শে পৌঁছায়...
যখনই বিষয়টি—
একাকী নির্জন কক্ষে গড়ায়...
ঠিক তখনই—
শয়তান তার বিষাক্ত ডানা মেলে।
বৃদ্ধ শ্বশুরের শরীর মালিশ করা।
তাকে ধরে ধরে বাথরুমে নেওয়া।
কিংবা অতি ঘনিষ্ঠ হয়ে সেবা করা।
আমাদের সমাজ এটাকে 'পুণ্য' মনে করলেও,
শয়তান এই সুযোগেই—
তার সবথেকে বড় তীরটি নিক্ষেপ করে।
সেবা আর লালসা—
এক সুতোয় গেঁথে ফেলে সে।
হাদিসের সেই বজ্রকঠিন সতর্কবার্তা:
একবার নবীজী ﷺ ঘরে প্রবেশ করলেন।
ঘরে তখন—
হযরত আবু বকর (রা.) বসা ছিলেন।
আর আয়েশা (রা.)-এর কাছে—
একজন ব্যক্তি বসা ছিল।
নবীজী ﷺ তাকে দেখেই রাগান্বিত হলেন।
তাঁর পবিত্র চেহারা—
বিবর্ণ হয়ে গেল।
আয়েশা (রা.) বললেন:
"ইয়া রাসুলাল্লাহ!ﷺ ইনি তো আমার (দুগ্ধ) ভাই।"
নবীজী ﷺ তখন কঠোরভাবে সতর্ক করলেন:
> "হে আয়েশা! তোমরা ভালো করে লক্ষ্য করো তোমাদের ভাই কারা। কারণ দুগ্ধপানের সম্পর্ক তখনই সাব্যস্ত হয় যখন ক্ষুধার কারণে (শিশুকালে) দুধ পান করা হয়।"
> (সহিহ বুখারী)
>
একটু ভাবুন!
আম্মাজান আয়েশা (রা.)—
যাঁর পবিত্রতার সাক্ষী স্বয়ং আল্লাহ দিয়েছেন।
হযরত আবু বকর (রা.)—
যিনি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত।
তাঁদের উপস্থিতিতেও যদি—
নবীজী ﷺ পরপুরুষের অবস্থান দেখে রাগ করেন,
তবে আপনার আমার ঘরে—
শ্বশুরের অতি ঘনিষ্ঠ শারীরিক সেবা কি নিরাপদ?
শয়তান বড় চতুর!
সে বলবে— "উনি তো বাবার মতো!"
সে বলবে— "এতে দোষের কিছু নেই!"
মিথ্যা!
সবই তার সাজানো মায়া।
ওয়াসওয়াসা এভাবেই শুরু হয়।
পবিত্রতার পোশাকে—
সে হৃদয়ে ঢোকায় জেনার বিষ।
বোন আমার!
আপনার হায়া আপনার ঢাল।
ভাত বেড়ে দিন, কাপড় ধুয়ে দিন।
কিন্তু শারীরিক স্পর্শ থেকে—
নিজেকে দূরে রাখুন।
বাবার ব্যক্তিগত সেবা— ছেলের দায়িত্ব।
মায়ের সেবা— সন্তানের ওপর ফরজ।
পুত্রবধূর ওপর নয়।
পাপের দরজা খোলার আগেই—
তাতে ঈমানের তালা মেরে দিন।
লজ্জা নারীর শ্রেষ্ঠ অলংকার।
আল্লাহ আমাদের ঘরগুলোকে—
পবিত্র রাখুন।
ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচিয়ে রাখুন।
আমীন।
---
বিশেষ পরামর্শ!
শ্বশুর মাহরাম। সে যদি বেশি বৃদ্ধ হয়, বেশি অসুস্থ হয়, ও ফেতনার আশংকা না থাকে, তবে শারীরিক খেদমত করতে সমস্যা নেই। শ্বশুর বাপের হুকুমে বেশি সওয়াবের অধিকারী হবে।)
তবে যুবক শ্বশুর হতে সাবধানতাই কাম্য
[অন্য বোনদের সচেতন করতে পোস্টটি শেয়ার করুন]
--
ভালো লাগলে পেইজটি ফলো করবেন।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment