নতুন মন্ত্রিসভায় আসতে পারেন যারা
নতুন মন্ত্রিসভায় আসতে পারেন যারা
তারেক রহমান
নবীন-প্রবীণ আর দক্ষদের মিশেলে হবে তারেক রহমানের নেতৃত্বের মন্ত্রিসভা। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এই মন্ত্রিসভা তিন প্রজন্মের রাজনীতিবিদদের প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও বিষয়ভিত্তিক প্রযুক্তিজ্ঞানের সম্মিলন ঘটিয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করবে। এটিই নতুন মন্ত্রিসভার মূল লক্ষ্য হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এদিকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন।
জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানো হবে। শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো সিইসি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পড়াতে যাচ্ছেন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সাংবিধানিক বিধানের আলোকেই নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ানো হবে।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। একই সঙ্গে শপথ নেবেন তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যরা। দলের দায়িত্বশীল সূত্র সংবাদ মাধ্যমকে জানায়, নতুন মন্ত্রিসভার আকার ৩৫ থেকে ৪০ সদস্যের হতে পারে। এর মধ্যে ২৬ থেকে ২৭ জন পূর্ণ মন্ত্রী হতে পারেন।
প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে ১০ থেকে ১২ জনকে। শেষ মুহূর্তে আরও এক বা দুজন যোগ হতে পারেন। মন্ত্রিসভার আকার ছোট হচ্ছে এবং নবীন-প্রবীণের মিশেলে ৪০-এর নিচে ৩৭ জন হতে পারে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা শপথের চূড়ান্ত প্রস্তুতি (মহড়া) অনুষ্ঠান করেছেন। সেখানে তাঁরা মন্ত্রিসভার অন্তত ৪০ জন সদস্য ধরে মহড়া সম্পন্ন করেছেন বলে জানা গেছে।
শপথপত্র রাখার স্ট্যান্ড রাখা হয়েছিল ৪০টির মতো। এ বিষয়ে দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা কথা বলতে রাজি হননি।
মন্ত্রিসভা গঠনে তারেক রহমান খুবই গোপনীয়তা রক্ষা করছেন। দলীয়ভাবে যাঁদের নাম আলোচনায় আছে তাঁরা হলেন—মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ, ফজলুর রহমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আবদুল আউয়াল মিন্টু, এহসানুল হক মিলন, নিতাই রায় চৌধুরী, আফরোজা খান রিতা, জহির উদ্দিন স্বপন, রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ইসমাঈল জবিউল্লাহ, ড. হুমায়ুন কবির (টেকনোক্র্যাট), মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, রকিবুল ইসলাম বকুল, ফরিদুল কবির তালুকদার, দিপেন দেওয়ান, শরীফুল আলম, ড. মাহদী আমিন (টেকনোক্র্যাট), ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার (টেকনোক্র্যাট), শামা ওবায়েদ, ফারজানা রহমান পুতুল, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আলী আজগর লবী, মজিবুর রহমান (গাজীপুর), মীর শাহে আলম (বগুড়া), আরিফুল হক চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, ওয়ারেস আলী মামুন (ময়মনসিংহ), ড. রেজা কিবরিয়া, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, সাঈদ আল নোমান, খন্দকার আবু আশফাক, হাবীব উর রশিদ হাবীব, জোনায়েদ সাকি, ববি হাজ্জাজ, আন্দালিব রহমান পার্থ, নুরুল হক নুর প্রমুখ।
সংসদ সদস্যদের এই শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ সংসদের যাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। একই দিন নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। সাধারণত সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়িয়ে থাকেন। তবে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বিশেষ পরিস্থিতিতে বর্তমানে জাতীয় সংসদ কার্যকর নেই। স্পিকারের পদ শূন্য এবং ডেপুটি স্পিকারও দায়িত্ব পালনে অক্ষম। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যদি স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াতে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সেই দায়িত্ব পালন করবেন। সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই শপথ পড়ানো হচ্ছে।
🎁 Your Special Offer is Loading...
Please wait a moment. You'll be redirected automatically after the countdown.
⏳ Stay here — your offer will open in a new page.
✅ Redirect happens only once per session.

Comments
Post a Comment